-
ভাঙ্গন
৳500 -
দ্যা সাইলেন্ট উইডো
৳600 -
দ্যা নিউ ওয়াল্ড
৳350
২৫শে মার্চ ১৯৭১, রাত আনুমানিক দশটা দশ মিনিট। ট্যাংক, কামান, মেশিনগান আর আধুনিক স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি আর্মি ঢাকা ক্যানটনমেন্ট থেকে বের হয়ে আসতে শুরু করেছে। লক্ষ্য তাদের ঢাকা ভার্সিটি, পিলখানা ইপিআর সদর দপ্তর, রাজারবাগ পুলিশ লাইনসের দখল নিয়ে সম্পূর্ণ ঢাকায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। ফার্মগেট অতিক্রম করার সময় তেজগাঁও থানা থেকে ওয়্যারলেসে সাথে সাথে খবরটি জানিয়ে দেওয়া হলো রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে। মুহূর্তেই পাগলা ঘণ্টা বেজে উঠল রাজারবাগে। রাজারবাগের পুলিশ যে যে-খানে যে-অবস্থায় ছিল ছুটে এলো অস্ত্রাগারের দিকে। পাক হানাদারদের প্রতিহত করতে তারা ভেঙে ফেলল আইজি রিজার্ভ স্টোর-সহ রাজারবাগের কেন্দ্রীয় অস্ত্রাগারের তালা। সেকেলে থ্রিনটথ্রি রাইফেল-হাতে পজিশন নিল ভারী আর স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রে সজ্জিত পাকিস্তানি আর্মিদের মোকাবিলা করতে। রাত সাড়ে এগারোটায় পাকিস্তানি আর্মি রাজারবাগের সীমানায় পৌঁছামাত্র গর্জে উঠল পুলিশের থ্রিনটথ্রি রাইফেল, সেইসাথে ছুটে গেল মহান স্বাধীনতা অর্জনে প্রথম বুলেট।
পাকিস্তানি আর্মিদের মেশিনগান, মর্টার, কামান আর ট্যাংকের সামনে এতটুকু পিছিয়ে আসেনি রাজারবাগের অকুতোভয় বীর পুলিশ-সদস্যরা। একে একে জীবন উৎসর্গ করতে থাকে তারা। ‘জীবন দিয়ে হলেও দেশমাতৃকাকে পাকিস্তানি হানাদারমুক্ত করে ছাড়বে’Ñ এই ছিল তাদের ব্রত। তাইতো বারবার তারা রুখে দিতে সমর্থ হয় পাকিস্তানি আর্মিদের।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত কী ঘটেছিল রাজারবাগের সেই যুদ্ধে? তুমুল আর ভয়ংকর সেই যুদ্ধের না-জানা অনেক সত্য কাহিনি নিয়ে রচিত হয়েছে ‘নক্ষত্রের রাজারবাগ’ যা পাঠকদের নিয়ে যাবে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের বিভীষিকাময় ভয়াল সেই রাতে যেখানে সূচিত হয়েছিল স্বাধীনতার প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধ