বহুমুখী প্রতিভা হলেও রবীন্দ্রনাথের সবচেয়ে বড়ো পরিচয় কবি হিশেবে।’ তার কবিজীবন আরম্ভ হয়েছিলো পনেরো বছর বয়সে, আর তা শেষ হয়। আশি বছরে। যে-অস্ত্রোপচারের পর তিনি মারা । যান, সেটি হবার মাত্র আধ ঘণ্টা আগেও তিনি রচনা করেছিলেন তার একটি নামকরা কবিতা। দীর্ঘ ৬৫ বছর ধরে তিনি প্রায় এক লাখ পঙুক্তি কবিতা রচনা করেছিলেন, কিন্তু তার মধ্যে বৈচিত্র্যের কোনো অভাব ছিলো না। তিনি কবিতা লিখেছেন নানা ছন্দে, নানা বিষয়বস্তু নিয়ে। নব নব পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্য দিয়ে তাঁর কবিতাকে নিত্যনতুন রসে তিনি সিক্ত করেছেন, নানান আঙ্গিকে রূপ দিয়েছেন।
মহুয়া কাব্যটি রচনা করার প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিলো। বিয়ের মতো অনুষ্ঠানে উপহার দেওয়ার মতো একটি গ্রন্থ রচনা । কিন্তু লিখতে শুরু করার পরই কাব্যটি নিজের গতিপথে প্রবাহিত হতে আরম্ভ করে কবির অলক্ষে। মহুয়ার বেশির ভাগ কবিতাই তিনি লিখেছিলেন তাঁর ৬৭ বছর বয়সের সময়ে, মানুষ। যখন আধ্যাত্মিকতার দিকে ঝুঁকে পড়ে। কিন্তু মহুয়া এবং তার ঠিক আগেকার কাব্য পূরবীর অধিকাংশ কবিতাই প্রেমের কবিতা। শেষের কবিতা উপন্যাসের সবগুলো কবিতাই মহুয়ার অন্তর্ভুক্ত। হয়েছে। তাঁর রাশি রাশি প্রেমের কবিতার মধ্যে। বেশ কয়েকটি বিখ্যাত কবিতাই মহুয়ার কবিতা